নিজস্ব প্রতিবেদক :
বরেণ্য কবি ও কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের ১০৭ তম জন্মোৎসব আজ মঙ্গলবার ২ ডিসেম্বর জাতীয় জাদুঘরের বেগম সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে পালিত হয়।
তিনি মূলত ছিলেন সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদ বিরোধী। এই প্রবাদ পুরুষ আজন্ম শোষকের বিরুদ্ধে তাঁর লেখনির মাধ্যমে শোষিতের কথা বলেছেন। তাঁর রচিত “ক্রীতদাসের হাঁসি” সর্বকালের সকল সৈরশাষকের বিরুদ্ধে গণজাগরণের দিশারি। একই সাথে তাঁর বহুল আলোচিত “জননী” উপন্যাসটি ইংরেজী ভাষায় অনুদিত হয়ে বিশ্ব সাহিত্যে স্থান করে নিয়েছে। তাঁর লেখনির আড়ালে ঢাকা পড়ে যায় আসল নাম আজিজুর রহমান। আজিজুর রহমানের ছদ্মনাম শওকত ওসমান। তিনি শওকত ওসমান নামেই বহুল পরিচিতি। অমর কথাশিল্পী শওকত ওসমান দেশদ্রোহী ও রাজাকাদের বিরুদ্ধে অজীবন সংগ্রাম করেছেন।
অমর কথাশিল্পি শওকত ওসমানের জীবন সাহিত্য-কর্ম ও সৃষ্টি সম্পর্কে আলোচনায় অংশ নিয়েছেন কথাশিল্পী পুত্র সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ও কবি ইয়াফেস ওসমান।
আলোচনায় অংশ নেন বরেণ্য শিক্ষাবিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার নিউম্যারারি প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া, শিশু সাহিত্যিক আমিরুল ইসলাম, জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান, উদ্দীপনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইমিরিটাস মহম্মদ শহীদ তালুকদার।
ঢাকা বিশ্বিবিদ্যালয়ের সাবেক উপাচারর্য আরেফিন সিদ্দিক বলেন, কবি শওকত ওসমান ছিলেন্ একজন আদর্শবান শিক্ষক ও কবি। তার আদর্শ ছিল সৎগুনে বিকশিত।
ঢাবির অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া বলেন, মানবিক মূল্যবোধে তিনি ছিলেন একজন জীবনঘনিষ্ট কবি। জীবন ও জগৎকে তিনি গভীল অর্ন্তদৃষ্টিতে অবলোকন করেছেন বলেই তিনি আজ কবিকূলে গৌরবোজ্জ্বল হয়ে আছেন। এ সত্যনিষ্ঠ কবির গুণ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের মতো অহিংসা ও সর্বজনীয়তায় তিনি অসাম্প্রদায়িক ও মুক্ত চিন্তক ছিলেন।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডক্টর দিপু সিদ্দিকী।
আলোচনা ও স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন রয়েল ইউনিভার্সিটি অফ ঢাকার উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর এম আবুল কাশেম মজুমদার ।
কারুবাক 














