সকল প্রশংসা মহান স্রষ্টা রাব্বুল ‘আলামীন আল্লাহর জন্য, যিনি মানুষকে তাঁর ‘ইবাদাতের উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছেন। তন্মধ্যে কিছু ‘ইবাদাত নির্দিষ্ট সময় ও নিয়মের সাথে খাস। আর কিছু আছে উন্মুক্ত, যার জন্য কোনো ধরা-বাঁধা নিয়ম বা সময় নেই। বান্দাহ তার রবের সাথে সম্পর্ক সৃষ্টি ও নিজের প্রয়োজন পূরণে তাঁর কাছে হাত পেতে নিতে হয়। বান্দাহ তার রবের সামনে নিবেদিত থাকলে তিনি যেমন খুশি হন, তেমনি তার রক্ষণাবেক্ষণ ও যাবতীয় সংকটে তার আহ্বানে সাড়া দেন। তাই তিনি বলেন, ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ “তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেবো।” [গাফির- ৬০]
সালাত ও সালাম মহানাবী রাহমাতুল লিল-‘আলামীনের প্রতি, যিনি সর্বদা আল্লাহর দিকে মনোনিবেশ ছিলেন এবং কিয়ামাত পর্যন্ত আগত উম্মাতের জন্য মনোনিবেশ থাকার প্রতি তাকীদ করে গেছেন। বান্দাহর জীবনের মূল বিষয় হচ্ছে আল্লাহর ‘ইবাদাত করা। সেই ‘ইবাদাতের ব্যাপারে তিনি বলেছেন, الدُّعاءُ مُخُّ العِبادَةِ “দু‘আ হচ্ছে, ‘ইবাদাতের মগজ।” [তিরমিযী- ৩৩৭১]
পরম সম্মানসহ মহান রবের সন্তুষ্টি কামনা করছি সেই সাহাবী ও তাবি‘ঈদের জন্য, যাঁদের ঈমান, আনুগত্য, দু‘আ-দুরূদ সকল যুগ ও সময়ে আমাদের জন্য অমর পথনির্দেশিকা হয়ে থাকবে। যাদের ব্যাপারে মহানাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, خيرُ القرون قرني ، ثم الذين يلونهم ، ثم الذين يلونهم “সর্বোত্তম যুগ হচ্ছে- আমার যুগ, তারপর তার সংশ্লিষ্ট যুগ, তারপর তার সংশ্লিষ্ট যুগ।” [আবূ দাঊদ-৩৬৫৮]
গ্রন্থটি সমৃদ্ধ ও বিশুদ্ধ করার স্বার্থে আল-কুরআন থেকে সূরাহ ও আয়াত নং এবং আল-হাদীছের প্রসিদ্ধ গ্রন্থগুলো থেকে নাম্বারসহ হাদীছভিত্তিক দু‘আ উল্লেখ করার চেষ্টা করা হয়েছে। তারপরেও যদি কোনো জাল হাদীছ পাওয়া যায় তাহলে আমাদের দৃষ্টিতে আনলে আমরা পরবর্তী এডিশনে শুধরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হবে।
কুরআন ও হাদিসের আলোকে দোয়া কবুলের রহস্য
-
কারুবাক - আপডেটের সময় : ১২:৫৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৪
- ১৬৪ ভিউ
#
জনপ্রিয়















